সাংবাদিককে হেনস্থা করে পুলিল বললেন, ‘দেখেন! দেখেন! নামটা ভালো করে দেখে যান’

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নিজের পরিচয়পত্র দেখানোর পরেও হাতিরঝিল থানা পুলিশের সদস্যদের নিকট হয়রানির শিকার হয়েছেন বিবার্তার সাংবাদিক বাবর মাহমুদ। সাংবাদিক বাবর মাহমুদকে হেনস্থা করার পর পুলিশের উপ-পরিদর্শক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘দেখেন! দেখেন! নামটা ভালো করে দেখে যান।’

জানা গেছে, বাবর মাহমুদ বাংলাদেশ সরকারের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টাল বিবার্তা২৪ডটনেট-এর সাব এডিটর।

আজ শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রতিদিনের মত অফিস শেষ করে হাতিরঝিলের রাস্তা ধরে বাসায় ফিরছিলেন ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক। পথিমধ্যে শেখ দিলু বেপারী ওয়াক্ফ এস্টেট জামে মসজিদের সামনে রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় দুইজন পুলিশ তার গতিরোধ করেন। এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, আপনার আচরণ সন্দেহজনক। আপনাকে সার্চ করা হবে। পরে তিনি তাকে কেন সার্চ করা হবে জানতে চেয়ে রেল লাইনের উপর দাঁড়িয়ে থাকেন।

এরপর তাকে পাশের টি-স্টলে বসে থাকা পুলিশ কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন ওই পুলিশ সদস্যরা। এক পর্যায়ে এক পুলিশ কনস্টেবল এগিয়ে আসেন তার দিকে। ফলে আর কথা না বাড়িয়ে টি-স্টলে বসে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা ইদ্রিস আলীর কাছে গিয়ে নিজের পরিচয় দিয়ে পরিচয়পত্র দেখান বাবর মাহমুদ। এ সময় তার কাছেও কেন তাকে সার্চ করা হবে জানতে চান। কিন্তু তিনি পূর্বের পুলিশ সদস্যের ন্যায় একই কথা বলে পকেট চেক করতে বলেন।

এরপর ভুক্তভোগী সাংবাদিক নিজের পকেট থেকে সবকিছু বের করে দেখান। সার্চ শেষে কিছু না পেয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। ওই সময় বাবর হয়রানি করা পুলিশ কর্মকর্তা ইদ্রিস আলীর নেমপ্লেটের দিকে তাকালে, তিনি নিজের নেমপ্লেটে হাত দিয়ে বলতে থাকেন, দেখেন! দেখেন! নামটা ভালো করে দেখে যান।

এ বিষয়ে সাংবাদিক বাবর মাহমুদ বলেন, আমি আমার পরিচয় দিলাম, পরিচয়পত্র দেখালাম। তবুও আমাকে হয়রানি করা হলো। পুলিশের কাছ থেকে এই রকম অশোভন আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে অবগত করে বক্তব্য জানতে হাতিরঝিল থানার ওসি আব্দুর রশিদকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তার মোবাইলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অভিযোগের বিষয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

অগ্নিবাণী/এফএ

এই সংবাদটি শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Pin on Pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published.