রাজশাহীতে `কঠোর লকডাউন’ বাস্তবায়নে `কঠোর’ প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনে রাজশাহীতে কঠোরভাবে মাঠে কাজ করছে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্ট।

শনিবার (৩ জুলাই) সকাল থেকেই নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘুরে পরিদর্শন করছেন তারা।

শনিবার সকাল থেকে রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার, লক্ষীপুর, রেলগেইট ও স্টেশন এলাকাগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্ট এর উপস্থিতি। বাজারসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় টহল দিতে দেখা গেছে আরএমপি পুলিশ কমিশনার ও র‌্যাব প্রধানকে। বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি থামিয়ে করেছেন জিজ্ঞাসাবাদ।

রাজশাহীতে `কঠোর লকডাউন’ বাস্তবায়নে `কঠোর’ প্রশাসন

তবে সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন কাচাবাজারগুলোতে দেখা গেছে মানুষের ভীড়। এসময় স্বাস্থ্য সচেতনতায় পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট টিমকে মাইকিং এর মাধ্যমে জনসাধারণকে সচেতন করতেও দেখা গেছে।

রাজশাহীতে লকডাউনে আইন শৃংখলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের কার্যপ্রণালি সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও জেলা প্রশাসন একসাথে কাজ করছি। রাজশাহীতে কঠোর লকডাউনে সহযোগিতায় বগুড়া থেকে এক কোম্পানিরও বেশি অর্থাৎ ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী রাজশাহীতে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া বিজিবির এক কোম্পানি, আনসার বাহিনীর এক কোম্পানির ৩ প্লাটুন, রাজশাহীর র‌্যাব-৫, মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।’

সাহেব বাজারে লকডাউন পরিদর্শনে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ টিম

এসময় তিনি রাজশাহীর মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুরোধ করেন, ‘আপনারা সরকার ঘোষিত এই লকডাউনে অনেক ধৈর্য্য ধারণ করেছেন এবং করছেন। আরও একটু ধৈর্য্য ধারণ করুন। বিনা কারণে বাইরে না বের হয়ে বাসায় থাকুন ও স্বাস্থ্যবিধি মানুন। আমরা সকলেই এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে চাই, আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুণ।’

লকডাউন পরিদর্শনে আরএমপির পুলিশ কমিশনার

লকডাউনে বিধিনিষেধ উপেক্ষায় জরিমানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী মহানগরে ৪টি ও উপজেলায় মোট ১৮টি মোট ২২টি ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করে। আমাদের কাজ মূলত জরিমানা আদায় নয়, সরকার নির্দেশিত বিধিবিধান প্রতিপালন। কেউ যদি সরকার নির্দেশিত বিধান লঙ্ঘন করেন তবে তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

অগ্নিবাণী/ডে/রাজ

এই সংবাদটি শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on Whatsapp
Whatsapp
Pin on Pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *