রাজশাহীর নওহাটা পৌর নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে হাফিজ!

মো. কামরুল হাসান মাসুদ
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌর নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় জনমনে বিরাজ করছে নানা উছ্বাস-উদ্দীপনা। নির্বাচনকে নিযে অনেকেই নির্বাচকদের দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। কেউ কেউ ব্যতি-ব্যস্ত নিজ নিজ প্রচার-প্রচারণায়। তবে এরমধ্যে ব্যতিক্রমী হিসেবে দেখা মিলেছে  নওহাটা পৌরসভার যুবলীগ সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান হাফিজের রাজনৈতিক প্রচারণায়। আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে পৌর আ.লীগসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা তাকেই বেছে নিয়েছেন এবং সকলে স্বেচ্ছায় করছেন হাফিজের নির্বাচনী প্রচার।

পৌর নির্বাচনকে ঘিরে একাধিক প্রার্থীর নামও শোনা গেলেও হাফিজের নামটায় শোনা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশী। তবে রাজশাহী পবা-মোহনপুরের সংসদ সদস্য মো. আয়েন উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবে নওহাটা পৌরসভার যুবলীগ সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান হাফিজের পৌর মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আশংঙ্কায় করছেন সকলে।

কারণ, হিসেবে অনেকেই বলছেন- হাফিজ ছিলেন পবা উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ জনপ্রিয় সভাপতি। এছাড়াও তিনি স্থানীয়দের সেবায় সমাজ সেবক হিসেবেও বেশ সুপরিচিত। সময়-অসময়ে গরীব দীন-দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছেন তিনি। আবার সমাজে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সবর্দা শক্ত অবস্থানে থেকেছেন, করেছেন প্রতিবাদও। যার কারণে, দল থেকে বর্তমানে তাকে মনোনীতও করা হয়েছে পৌর যুবলীগের সভাপতি হিসেবে। তার দলীয় শৃংখলা, চারিত্রিক মাধুরতা ও ব্যক্তিত্বের অন্যান্য সকল দিক বিবেচনায় এনে দল থেকে তাকে মেয়র আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করার সিদ্ধান্তেও রয়েছে আ.লীগ নেতারা। আর সেই প্রাপ্তির সম্ভাবনা থেকে সেচ্ছায় ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন হাফিজ ভক্ত নওহাটার বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

রাজশাহীর নওহাটা পৌর নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে হাফিজ!

নওহাটার সুশীল সমাজের ভাষ্যানুযায়ী- নওহাটা পৌরসভার সর্বস্তরের জনগনের রাজনৈতিক বিশ্বস্ত ব্যাক্তি হচ্ছেন হাফিজ। তরুণ প্রজন্মের তারুণ্যের প্রতীকও তিনি। এলাকায় জনগনের মন জয় করে হয়েছেন বিশ্বাসের প্রতীক। এছাড়াও সকলের প্রিয় নেতা এবং  নৌকার কান্ডারী এই হাফিজই। তাই হাফিজকেই মেয়র পদে আ.লীগ থেকে মনোনীত করা উচিৎ বলে আমরা মনে করি।

এছাড়াও তারা জানান, আ.লীগের সুনাম ও উন্নয়নমুখী প্রচারণার অংশ হিসেবে হাফিজ পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের জনগণের কাছে গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, বিধবা ভাতা সহ অন্যান্য অনেক সরকারি ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা। সেই সাথে করোনাকালীন দুঃসময়ে নিজের তহবিল থেকে অনেক সময় মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা করে এসেছেন,পাশে থেকেছেন।

স্থানীয়দের মতামতের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সময় আওয়ামীলীগের উন্নয়ন মুলক সকল কর্মকান্ডের চিত্র সভা-সমাবেশ মিশিল-মিটিং ও ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যেতেন হাফিজ। আওয়ামীগের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে আগামীতে তার মতন একজন তরুণ উদীয়মান নেতার প্রয়োজন অত্যাধিক। তাই আসন্ন নওহাটা পৌর নির্বাচনে মেয়র পদের জন্য হাফিজের মতন উদীয়মান নেতাকেই মেয়র পদে মনোনীত করা হউক।

রাজশাহীর নওহাটা পৌর নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে হাফিজ!

স্থানীয়রা বলছেন, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ হাফিজকে দেখে আসছি কখনো তার খারাপ কিছু তাদের নজরে আসেনি, দুঃসময়ে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বিনা স্বার্থে। এমন মানুষ যদি আমাদের মেয়র হন তাহলে আমরা পৌরবাসী উপকৃতই হবো। বর্তমান পৌরসভার কর্মকান্ডে যে স্লথ গতির দেখা মিলেছে তা থেকে উত্তোরণের জন্য হাফিজের মতন তরুণ, সমাজসেবক ও প্রাণবণ নেতাই দরকার।

পৌর নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, ‘পৌর আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন ও দলের নেতা-কর্মীর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চাই। মেয়র পদে নির্বাচিত হলে একটি আর্দশ পৌরসভা গঠনের উদ্দেশ্যে সকলকে একসাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার একটি ক্ষুদ্র সুযোগ পাবো মাত্র। সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য একটি সুশৃংঙ্খল পৌর এলাকা উপহার দিতে পারব। মেয়র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে উন্নয়নের কাজের সুযোগ চাই। সুতরাং, তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে দল থেকে একবার সেই সুযোগ টা প্রদান করলে আমি আমার মেধা, শ্রম ও যোগ্যতা দিয়ে প্রমাণ করতে চাই যে তরুণরাই পারে উন্নয়নের জোয়ার আনতে। এটায় আমার প্রত্যাশা, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু!’

এই সংবাদটি শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Pin on Pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *